শহীদুল জহির সমগ্র

অনেক বলতে চান, জাদুবাস্তবতার রচনাভঙ্গি গ্রহণ করে স্তন্ত্রভাবে লেখক হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার মানসেই তিনি লেখক-নাম শহীদুল হক থেকে শহীদুল জহিরে বদল করেছিলেন।

উত্তর-আধুনিক প্রগতিবাদী লেখক হিসেবেও শহীদুল জহিরকে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

শহীদুল জহির তাঁর রচিত সাহিত্যে ভাষা ব্যবহারে অভিনবত্ব আনার চেষ্টা করেছেন, হয়তো সফলও হয়েছেন। সাধারণভাবে বলা যায়, তিনি নিম্নবর্গের মানুষের মুখের অকৃতিম ভাষাকে পুঁজি হিসেবে নিয়েছিলেন।

বাংলা সাহিত্যজগতের ব্যতিক্রমী স্রষ্টা শহীদুল জহির অকালপ্রয়াত। বিগত শতাব্দী সত্তরের দশকে সৃজনশীল সাহিত্য অঙ্গনে তাঁর আগমন ঘটেছিল। সে সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন। তাঁর সাহিত্য-সৃষ্টি আমৃত্যু (২০০৮) বহমান ছিল্ তাঁর সৃষ্টির অসাধারণ। অসাধারণত্বের বিষয়টি নানা দিক থেকে মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণের দাবি রাখে। ঘটনার বহুরৈখিক বণৃনা, সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে উপলব্ধিপূর্বক তা সুসংগঠিত করা, পুর্ণাঙ্গতা- এ সবই তাঁর সৃষ্টিকে বিশিষ্ট করে তুলেছে।

অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, সংরক্ষণ এবং সংগ্রহের অভাবে অনেক সৃজনশীল সাহিত্যকর্ম কালের অতল গহ্বরে তলিয়ে যায়। এ বিষয়টি অনুধাবন করে শহীদুল জহির স্মৃতি পরিষদ ও পাটক সমাবেশ যৌথভাবে শহীদুল জহির সমগ্র প্রকাশ করার উদ্যোগ গ্রহণ করে।

৳ 1,750.00

Book Details

Pages

Cover Design

Publishers

Language

ISBN

Release date

Weight

Page Type

Binding Type

Price

৳ ১৭৫০.00, $ ২০.৬৩, € ১৭.৩৭

About The Author

শহীদুল জহির [১৯৫৩-২০০৮]

শহীদুল জহিরের জন্ম ঢাকায় নারিন্দার ভূতের গলিতে। তাঁর গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায়। তিনি ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুল, ঢাকা কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়াশিংটন ডিসির দি আমেরিকান ইউনিভার্সিটি এবং কিছুদিন বার্মিংহাম ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করেন। পেশা তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন।

তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ :
পারাপার (১৯৮৫)
জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা (ফাল্গুন ১৩৯৪)
সে রাতে পূর্ণিমা ছিল (ফেব্রæয়ারি ১৯৯৫)
ডুমুরখেকো মানুষ ও অন্যান্য গল্প (১৯৯৯)
মুখের দিকে দেখি (২০০৬)
আবু ইব্রাহীমের মৃত্যু (২০০৯)
ডলু নদীর হাওয়া ও অন্যান্য গল্প (২০০৪)
শহীদুল জহির নির্বাচিত উপন্যাস (২০০৭)
শহীদুল জহির নির্বাচিত গল্প (২০০৬)

তিনি জীবদ্দশায় আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, আজকের কাগজ সাহিত্য পুরস্কার এবং প্রথম আলো বর্ষসেরা সাহিত্য পুরস্কার (মরণোত্তর) অর্জন করেছেন।

অনেক বলতে চান, জাদুবাস্তবতার রচনাভঙ্গি গ্রহণ করে স্তন্ত্রভাবে লেখক হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার মানসেই তিনি লেখক-নাম শহীদুল হক থেকে শহীদুল জহিরে বদল করেছিলেন।

উত্তর-আধুনিক প্রগতিবাদী লেখক হিসেবেও শহীদুল জহিরকে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

শহীদুল জহির তাঁর রচিত সাহিত্যে ভাষা ব্যবহারে অভিনবত্ব আনার চেষ্টা করেছেন, হয়তো সফলও হয়েছেন। সাধারণভাবে বলা যায়, তিনি নিম্নবর্গের মানুষের মুখের অকৃতিম ভাষাকে পুঁজি হিসেবে নিয়েছিলেন।

বাংলা সাহিত্যজগতের ব্যতিক্রমী স্রষ্টা শহীদুল জহির অকালপ্রয়াত। বিগত শতাব্দী সত্তরের দশকে সৃজনশীল সাহিত্য অঙ্গনে তাঁর আগমন ঘটেছিল। সে সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন। তাঁর সাহিত্য-সৃষ্টি আমৃত্যু (২০০৮) বহমান ছিল্ তাঁর সৃষ্টির অসাধারণ। অসাধারণত্বের বিষয়টি নানা দিক থেকে মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণের দাবি রাখে। ঘটনার বহুরৈখিক বণৃনা, সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে উপলব্ধিপূর্বক তা সুসংগঠিত করা, পুর্ণাঙ্গতা- এ সবই তাঁর সৃষ্টিকে বিশিষ্ট করে তুলেছে।

অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, সংরক্ষণ এবং সংগ্রহের অভাবে অনেক সৃজনশীল সাহিত্যকর্ম কালের অতল গহ্বরে তলিয়ে যায়। এ বিষয়টি অনুধাবন করে শহীদুল জহির স্মৃতি পরিষদ ও পাটক সমাবেশ যৌথভাবে শহীদুল জহির সমগ্র প্রকাশ করার উদ্যোগ গ্রহণ করে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “শহীদুল জহির সমগ্র”

Your email address will not be published. Required fields are marked *