মহাত্মা লালন ফকির

‘মহাত্মা লালন ফকির’ বইটি বসন্তকুমার পালের শ্রেষ্ঠ সারস্বত-কীর্তি। বইটি প্রকাশের পর সুধীজনের বিশেষ সমাদর লাভ করে। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, ডক্টর উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, ডক্টর মতিলাল দাস প্রমুখ পণ্ডিত-গবেষক এই বইয়ের প্রশংসা করেন। এছাড়া ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’, ‘যুগান্তর’, ‘দেশ’, ‘উদ্বোধন’, ‘Hisdustan Standard’, ‘Amrita Bazar Patrika’, ‘Calcutta Review’ প্রভৃতি পত্র-পত্রিকায় এই বইয়ের প্রশংসাসূচক আলোচনা প্রকাশিত হয়।
লালন আজ বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছেন, কিন্তু তাঁর প্রথম প্রামাণ্য-জীবনী লেখক বসন্তকুমার পাল অনাদৃত ও অনেকাংশে বিস্মৃতই বলা চলে। তবে সান্ত্বনার কথা এই যে, বসন্তকুমার পালের ‘মহাত্মা লালন ফকির’ লালনচর্চ ায় অপরিহার্য ও কালজয়ী বইয়ের মর্যাদার অভিষিক্ত।

৳ 555.00

SKU: 9789848866177 Categories: , , , Tags: ,

Book Details

Language

Binding Type

ISBN

Publishers

Release date

Pages

Size

8.2 X 5.4

Weight

Price

Tk 555 US : $ 19 UK : £ 11

About The Author

শ্রীবসন্তকুমার পাল

শ্রীবসন্তকুমার পাল (১৮৯০-১৯৭৫) লালনজীবনী-চর্চার পথিকৃৎ হিসেবে সম্মানিত। তাঁর জন্ম বৃহত্তর নদীয়া জেলার কুষ্টিয়া মহকুমার কুমারখালী থানার ধর্মপাড়া গ্রামে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, গড়াই নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত ধর্মপাড়ার সংলগ্ন গ্রাম ভাঁড়ারা ফকির লালন সাঁইয়ের জন্মস্থান। সাধক লালন দেহত্যাগ করেন বাংলা ১২৯৭ সনের ১ কার্তিক, আর লালনচর্চার পথিকৃৎ বসন্তকুমার পালের জন্ম ওই একই সালে একই মাসে। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তাঁর মাত্র দুটি বই প্রকাশিত হয়। মহাত্মা লালন ফকির (১৩৬১) ও তন্ত্রাচার্য শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব (১৩৭৯)। কাঙাল হরিনাথের জীবনীও তিনি রচনা করেন। কিন্তু ১৯৫৭ সালে রানাঘাটের একটি ছাপাখানা থেকে রহস্যজনভাবে পান্ডুলিপিটি হারিয়ে যায়। অর্ঘ্য নামে তাঁর প্রায় ৫০টি কবিতার একটি পান্ডুলিপিও তিনি প্রকাশ করে যেতে পারেন নি। পাঠক সমাবেশ ধারাবাহিকভাবে এই গ্রন্থগুলো প্রকাশ করবে। আজীবন দারিদ্র্য-দুঃখের সঙ্গে সংগ্রাম করে তাঁর জীবন কেটেছে। কিন্তু সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে তিনি একাগ্র নিষ্ঠায় লালনচর্চায় নিবেদিত ছিলেন। কোন রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান-স্বীকৃতি তিনি পাননি। অত্যন্ত দীনহীন অবস্থায় ১৯৭৫ সালে তাঁর জীবনাবাসন হয়।

বাঙালির সমাজ-সংস্কৃতিতে ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) আজ এক অবশ্য-উচ্চারিত নাম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর নামের মহিমা দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে ক্রমশ প্রসার লাভ করেছে। তিনি শুধু বাউলসম্প্রদায়ের প্রধান প্রতিনিধিই নন, গানের ভেতর দিয়ে বাউলসাধনার মূল ভাষ্যও রচনা করেছেন। বাউলগানের শ্রেষ্ঠ পদকর্তা হিসেবে তাঁর নামে এক চলিষ্ণু নদীর মতো কাল থেকে কালান্তরে বহমান। গ্রামীণ বাংলার লোক জাপনের এই ধ্রুপদী মরমি পুরুষ আজ তার অগ্রসর প্রগতিচিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা আর তাঁর অসাধারণ আবেদনসৃজনে সক্ষম গানের জন্যে এক ‘আইকন’-এ পরিণত হয়েছেন। ইউনেস্কো ২৫ নভেম্বর ২০০৫ বাংলাদেশের বাউলগানকে ‘A Master Voice of the Oral and intangible Heritage of Humanity’ হিসেবে যে স্বীকৃতি দিয়েছে তার মূলে আছে লালনের গান।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “মহাত্মা লালন ফকির”

Your email address will not be published. Required fields are marked *