প্লেটো ফিদো : আত্মা সম্পর্কিত একটি সংলাপ

ফিদো (ইংরেজিতে ফিডো; গ্রিকে ফাইদোন)। বলা হয়ে থাকে যে, ‘সক্রেটিস যদি কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার প্রতিষ্ঠাতা না হয়ে বিশ্বধর্মের প্রতিষ্ঠাতা হতেন তবে তাঁর পবিত্রতম ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা পেত ফিদো’। সক্রেটিস যখন এই সংলাপটিতে বলেছিলেন ‘আমরা অংশত দেহ আর অংশত আত্না’, তখন তিনি দেহ-আত্মার দ্বৈততার ধারণার সূচনা বরেছিলেন এবং আত্মার অমরত্ব প্রমাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন; তাই বিগত আড়াই সহস্রাব্দব্যাপী পাশ্চাত্য দর্শন, ধর্মতত্ত্ব ও মনস্তত্ত্বে আত্মা ও দেহ, মন ও বস্তু, বুদ্ধিমত্তা ও ইন্দ্রিয়ানুভূতি, যুক্তিবোধ ও আবেগ, বাস্তবতা ও অবভাস, ঐক্য ও বহুত্ব, পূর্ণতা ও অপূর্ণতা, অবিনশ্বরতা ও নশ্বরতা, স্থায়িত্ব ও পরিবর্তমানতা, চিরস্থায়িত্ব ও ক্ষণস্থায়িত্ব, ঐশী ও মানবিক, স্বর্গ ও মর্তের ধারণাকে প্রভাবিত করেছে; এখনও ব্যাপ্ত পরিসরে তা পাশ্চাত্য ও প্রাচ্য-উভয় গোলার্ধের ধর্ম, দর্শনচিন্তা এবং জীবসভাবসাকে প্রভাবিত করে চলেছে। সক্রেটিসের হেমলক পানের দিনে আত্মার অস্তিত্ব, অবিনশ্বরতা এবং সেই বাস্তবতায় নৈতিক জীবনযাপনের অপরিহার্যতা নিয়ে সক্রেটিস তাঁর বন্ধুদের সাথে যে-আলোচনায় মগ্ন হন তার আধো-বাস্তবিক-আধো-কাল্পনিক বর্ণনা হলো ফিদো। সক্রেটিসের বন্ধু ও শিষ্য-ফিদো, যিনি এই আলোচনায় এবং তাঁর মৃত্যুকালে উপস্থিত ছিলেন, তাঁর নামে এই সংলাপটির নামকরণ করা হয়েছে।

৳ 450.00

Book Details

Language

Binding Type

ISBN

Publishers

Release date

Pages

Translator

Size

8.2 X 5.5

Weight

Price

Tk 450 US : $ 20 UK : £ 10

About The Author

আমিনুল ইসলাম ভুইয়া

আমিনুল ইসলাম ভুইয়া ১৯৫৩ সালের ১ অক্টোবর নরসিংদী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এবং ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান ইউনিভার্সিটি থেকে নীতি বিশ্লেষণে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা : প্লেটোর আইনকানুন (অনুবাদ : বাংলা একাডেমি); সক্রেটিসের জবানবন্দি, ইউথিফ্রো, প্রোতাগোরাস, ক্রিতো, মেনো, ফিদো, ফিদ্রাস, লেকিজ, লাইসিস, ইউথিদামাস (অনুবাদ: পাঠক সমাবেশ); কার্ল পপার: নির্বাচিত দার্শনিক রচনা (অনুবাদ ও সম্পাদনা; ৩ খন্ডে; বাংলা একাডেমি); জগতের লাঞ্ছিত (ফ্রাঞ্জ ফাঁনোর The Wretched of the Earth-এর অনুবাদ; বাংলা একাডেমি ও মওলা ব্রাদার্স); বাংলাদেশের সত্তার অন্বেষা (আকবর আলি খানের Discovery of Bangladesh-এর অনুবাদ; বাংলা একাডেমি); অত্যাচারিতের শিক্ষা (পাওলো ফ্রেইরির Pedagogy of the Oppressed-এর অনুবাদ; আরবান); রবীন্দ্রনাখ: দর্শনভাবনা (মূর্ধন্য) ও প্লেটোর রিপাবলিক-এর ভূমিকা (পাঠক সমাবেশ) । ২০১০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সচিব পদ থেকে অবসর লাভ করেন (সর্বশেষ দায়িত্বপালন: সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ)। বর্তমানে বাংলায় প্লেটোসমগ্র অনুবাদে ব্যাপৃত। পছন্দের বিষয়: বিজ্ঞানের দর্শন ও তুলনামূলক কিংবদন্তিশাস্ত্র।

ফিদো (ইংরেজিতে ফিডো; গ্রিকে ফাইদোন)। বলা হয়ে থাকে যে, ‘সক্রেটিস যদি কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার প্রতিষ্ঠাতা না হয়ে বিশ্বধর্মের প্রতিষ্ঠাতা হতেন তবে তাঁর পবিত্রতম ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা পেত ফিদো’। সক্রেটিস যখন এই সংলাপটিতে বলেছিলেন ‘আমরা অংশত দেহ আর অংশত আত্না’, তখন তিনি দেহ-আত্মার দ্বৈততার ধারণার সূচনা বরেছিলেন এবং আত্মার অমরত্ব প্রমাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন; তাই বিগত আড়াই সহস্রাব্দব্যাপী পাশ্চাত্য দর্শন, ধর্মতত্ত্ব ও মনস্তত্ত্বে আত্মা ও দেহ, মন ও বস্তু, বুদ্ধিমত্তা ও ইন্দ্রিয়ানুভূতি, যুক্তিবোধ ও আবেগ, বাস্তবতা ও অবভাস, ঐক্য ও বহুত্ব, পূর্ণতা ও অপূর্ণতা, অবিনশ্বরতা ও নশ্বরতা, স্থায়িত্ব ও পরিবর্তমানতা, চিরস্থায়িত্ব ও ক্ষণস্থায়িত্ব, ঐশী ও মানবিক, স্বর্গ ও মর্তের ধারণাকে প্রভাবিত করেছে; এখনও ব্যাপ্ত পরিসরে তা পাশ্চাত্য ও প্রাচ্য-উভয় গোলার্ধের ধর্ম, দর্শনচিন্তা এবং জীবসভাবসাকে প্রভাবিত করে চলেছে। সক্রেটিসের হেমলক পানের দিনে আত্মার অস্তিত্ব, অবিনশ্বরতা এবং সেই বাস্তবতায় নৈতিক জীবনযাপনের অপরিহার্যতা নিয়ে সক্রেটিস তাঁর বন্ধুদের সাথে যে-আলোচনায় মগ্ন হন তার আধো-বাস্তবিক-আধো-কাল্পনিক বর্ণনা হলো ফিদো। সক্রেটিসের বন্ধু ও শিষ্য-ফিদো, যিনি এই আলোচনায় এবং তাঁর মৃত্যুকালে উপস্থিত ছিলেন, তাঁর নামে এই সংলাপটির নামকরণ করা হয়েছে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “প্লেটো ফিদো : আত্মা সম্পর্কিত একটি সংলাপ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *