মহাত্মা লালন ফকির: ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত বইয়ের মূল প্রতিলিপি

Double click on above image to view full picture

Zoom Out
Zoom In

More Views

মহাত্মা লালন ফকির: ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত বইয়ের মূল প্রতিলিপি

Availability: In stock

Tk 555
US :  $ 19
UK :  £ 11

Quick Overview

বাঙালির সমাজ-সংস্কৃতিতে ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) আজ এক অবশ্য-উচ্চারিত নাম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর নামের মহিমা দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে ক্রমশ প্রসার লাভ করেছে। তিনি শুধু বাউলসম্প্রদায়ের প্রধান প্রতিনিধিই নন, গানের ভেতর দিয়ে বাউলসাধনার মূল ভাষ্যও রচনা করেছেন। বাউলগানের শ্রেষ্ঠ পদকর্তা হিসেবে তাঁর নামে এক চলিষ্ণু নদীর মতো কাল থেকে কালান্তরে বহমান। গ্রামীণ বাংলার লোক জাপনের এই ধ্রুপদী মরমি পুরুষ আজ তার অগ্রসর প্রগতিচিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা আর তাঁর অসাধারণ আবেদনসৃজনে সক্ষম গানের জন্যে এক ‘আইকন’-এ পরিণত হয়েছেন। ইউনেস্কো ২৫ নভেম্বর ২০০৫ বাংলাদেশের বাউলগানকে ‘A Master Voice of the Oral and intangible Heritage of Humanity’ হিসেবে যে স্বীকৃতি দিয়েছে তার মূলে আছে লালনের গান।

Details

বাঙালির সমাজ-সংস্কৃতিতে ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) আজ এক অবশ্য-উচ্চারিত নাম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর নামের মহিমা দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে ক্রমশ প্রসার লাভ করেছে। তিনি শুধু বাউলসম্প্রদায়ের প্রধান প্রতিনিধিই নন, গানের ভেতর দিয়ে বাউলসাধনার মূল ভাষ্যও রচনা করেছেন। বাউলগানের শ্রেষ্ঠ পদকর্তা হিসেবে তাঁর নামে এক চলিষ্ণু নদীর মতো কাল থেকে কালান্তরে বহমান। গ্রামীণ বাংলার লোক জাপনের এই ধ্রুপদী মরমি পুরুষ আজ তার অগ্রসর প্রগতিচিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা আর তাঁর অসাধারণ আবেদনসৃজনে সক্ষম গানের জন্যে এক ‘আইকন’-এ পরিণত হয়েছেন। ইউনেস্কো ২৫ নভেম্বর ২০০৫ বাংলাদেশের বাউলগানকে ‘A Master Voice of the Oral and intangible Heritage of Humanity’ হিসেবে যে স্বীকৃতি দিয়েছে তার মূলে আছে লালনের গান। লালনের সমকালেই তাঁকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত এবং তাঁর গান সংগ্রহ ও প্রকাশের উদ্যোগ গৃহীত হয়। উত্তরকালে এই চর্চা আরও বিস্তার লাভ করে তাঁর পদাবলির পাশাপাশি জীবনীর তথ্যোপকরণ সংগ্রহ এবং তাঁর সংগীত-সাধনা-দর্শনের পরিচয় তুলে ধরার প্রয়াসও অব্যাহত থাকে। লালনজীবনী রচনায় বসন্তকুমার পাল (১৮৯০-১৯৭৫)-এর ভূমিকা পথিকৃতের। প্রবাসী পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর লালন-সম্পর্কিত প্রবন্ধ (শ্রাবণ ১৩৩২ ও বৈশাখ ১৩৩৫) লালনচর্চার নতুন মাত্রা যোগ করে। আজ থেকে দীর্ঘ ৫৭ বছর আগে প্রকাশিত হয় তার মহাত্মা লালন ফকির বইটি। লালন-সম্পর্কে এটিই প্রথম বই। আকর ও প্রামাণ্য এই বইটি দীর্ঘকাল দুষ্প্রাপ্য। লালন-গবেষক ডক্টর আবুল আহসান চৌধুরীর সম্পাদনায় এই বইয়ের প্রতিলিপি-সংরক্ষণ প্রকাশ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস। সম্পাদক ড. চৌধুরী তাঁর দীর্ঘ ভূমিকায় লালনচর্চার প্রেক্ষাপটে বসন্তকুমার পালের জীবন ও সাহিত্যকর্মের তথ্যনিষ্ঠ বিবরণ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে পরিশিষ্টে সংযোজিত হয়েছে তাঁর অপ্রকাশিত পত্রাবলি, অগ্রথিত রচনা, আলোকচিত্র ও শ্রাদ্ধের আমন্ত্রণপত্র। ফলে মহাত্মা লালন ফকির বইটি পাঠক-গবেষকদের জন্যে বিশেষ উপযোগী হয়ে উঠবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

Author Biography

শ্রীবসন্তকুমার পাল (১৮৯০-১৯৭৫) লালনজীবনী-চর্চার পথিকৃৎ হিসেবে সম্মানিত। তাঁর জন্ম বৃহত্তর নদীয়া জেলার কুষ্টিয়া মহকুমার কুমারখালী থানার ধর্মপাড়া গ্রামে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, গড়াই নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত ধর্মপাড়ার সংলগ্ন গ্রাম ভাঁড়ারা ফকির লালন সাঁইয়ের জন্মস্থান। সাধক লালন দেহত্যাগ করেন বাংলা ১২৯৭ সনের ১ কার্তিক, আর লালনচর্চার পথিকৃৎ বসন্তকুমার পালের জন্ম ওই একই সালে একই মাসে। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তাঁর মাত্র দুটি বই প্রকাশিত হয়। মহাত্মা লালন ফকির (১৩৬১) ও তন্ত্রাচার্য শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব (১৩৭৯)। কাঙাল হরিনাথের জীবনীও তিনি রচনা করেন। কিন্তু ১৯৫৭ সালে রানাঘাটের একটি ছাপাখানা থেকে রহস্যজনভাবে পান্ডুলিপিটি হারিয়ে যায়। অর্ঘ্য নামে তাঁর প্রায় ৫০টি কবিতার একটি পান্ডুলিপিও তিনি প্রকাশ করে যেতে পারেন নি। পাঠক সমাবেশ ধারাবাহিকভাবে এই গ্রন্থগুলো প্রকাশ করবে। আজীবন দারিদ্র্য-দুঃখের সঙ্গে সংগ্রাম করে তাঁর জীবন কেটেছে। কিন্তু সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে তিনি একাগ্র নিষ্ঠায় লালনচর্চায় নিবেদিত ছিলেন। কোন রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান-স্বীকৃতি তিনি পাননি। অত্যন্ত দীনহীন অবস্থায় ১৯৭৫ সালে তাঁর জীবনাবাসন হয়।

About the Book

Language Bangla
Binding Hard Cover
ISBN-10 No
ISBN-13 9789848866177
Publisher Pathak Shamabesh
Publication Date Feb 1, 2011
Edition 1st
Author(s) Shri Basanta Kumar Pal
Editor(s) Abul Ahsan Chowdhury
Translator(s) N/A
Subject Baul/ Folklore/ Philosophy/ Literature/ Biography
Number of Pages 224
Height 8.2
Width 5.4
Weight 0.3640